ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৭ জুলাই ২০২২

চলমান কার্যক্রম

চলমান কার্যক্রম 

২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) কর্তৃক সরকারী অর্থায়নে

 বাস্তবায়িত উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের প্রতিবেদন

▶     সরকারি অর্থায়নে ঘূর্ণিঝড় প্রস্ত্ততি কর্মসূচির মাঠ পর্যায়ের ৪২ টি উপজেলার ২২,২৪০ জন স্বেচ্ছাসেবককে 

           ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ভূমিকম্প’ বিষয়ক ২ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

▶     মাঠ পর্যায়ের ৪২ টি উপজেলায় উপকূলীয় জনসাধারণের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৪২ টি ঘূর্ণিঝড় বিষয়ক মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

▶     ৩৭০ টি গণসচেতনতাবৃদ্ধিমূলক জোন ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

▶     ঘূর্ণিঝড় প্রস্ত্ততি কর্মসূচির (সিপিপি) আওতাধীন ৪২ টি উপজেলায় ১১৩ টি উপজেলা কমিটির সভা, ৭৪০ টি ইউনিয়ন কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

▶     ঘূর্ণিঝড় প্রস্ত্ততি কর্মসূচির (সিপিপি) আওতাধীন ৭ টি জোনাল কার্যালয়, ৪২ টি উপজেলা কার্যালয় ও বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ও চরাঞ্চলসহ  ১৭২ টি এইচএফ এবং ভিএইচএফ ষ্টেশন এর বেতার যোগাযোগ ১০০% নিশ্চিত করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় মেরামত সম্পন্ন করা হয়েছে।

▶     ঘূর্ণিঝড় প্রস্ত্ততি কর্মসূচির (সিপিপি) ৭ জোনে মোট ৭ টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ১৭২ জন এইচএফ ও ভিএইচএফ অপারেটরদের ‘ওয়্যারলেস সেট পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ’ বিষয়ে ২ দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

▶     মাঠ পর্যায়ে সিপিপির ইউনিট টিম লিডারদের মোট ৮২ টি ওয়ার্কসপ/সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে।

▶     মোট ১০৫ জন স্বেচ্ছাসেবককে (সিপিপি- ৮৫ জন, যুব রেড ক্রিসেন্ট- ৪ জন, বিএনসিসি- ৪ জন, বাংলাদেশ স্কাউট্স- ৪ জন, গার্লস্ গাইড- ৪ জন এবং নগর বাংলাদেশ- ৪ জন) জাতীয় শ্রেষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবক পুরস্কার দেয়া হয়েছে এবং কোভিড-১৯ প্রতিরোধ বিষয়ে অবদানের জন্য ১৪ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

 

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি মাধ্যমে কোস্টাল ডিআরআর প্রকল্প, এ্যাকশন এইড বাংলাদেশ কারিতাস বাংলাদেশ এর অর্থায়নে নিম্মবর্ণিত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছেঃ-

                   বিডিআরসিএস

(ক)      টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলয় ১৪৭২ জন রোহিঙ্গা ক্যাম্প স্বেচ্ছাসেবককে ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও প্রাথমিক চিকিৎসা’ বিষয়ে ৩ দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

(খ)      ১০ টি ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতিমূলক মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(গ)       ১ টি গণসচেতনতাবৃদ্ধিমূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(ঘ)       ২২ টি ওয়াকপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(ঙ)      ২৬৪০ জন স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং সাংকেতিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে।

(চ)       খুলনা, নোয়াখালী ও কক্সবাজার জোনের মোট ৭৫ জন স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ  প্রদান করা হয়েছে।

 

Action Aid Bangladesh

(ক) Action Aid Bangladesh এর অর্থায়নে সিপিপির ৪২ টি উপজেলার ৮০০০ জন নারী স্বেচ্ছাসেবককে নারীর প্রতি সহিংতা রোধ ও জেন্ডার বিষয়ক মৌলিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

                   কারিতাস বাংলাদেশ

 

(ক)  কারিতাস বাংলাদেশ এর অর্থায়ণে কর্মৃসূচির মনপুরা উপজেলায় ২২০ জন স্বেচ্ছাসেবককে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক, ৪৪ জন স্বেচ্ছাসেবককে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ৪৪ জন স্বেচ্ছাসেবককে উদ্ধার ও অনুসন্ধান বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

 

 

২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি)

উল্লেখযোগ্য অপারেশনাল কার্যক্রম

▶        সিপিপির ৪২ টি উপজেলায় ৩৭১ টি ইউনিয়নে ৫৬৫ টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ২২,০০০ জন স্বেচ্ছাসেবককে ২ দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

▶        সিপিপির নবগঠিত বিশেষায়িত দল (দ্রুত সাড়াদান ইউনিট, পানি থেকে উদ্ধার বিষয়ক ইউনিট এবং অতিজোয়ার মনিটরিং ও সাড়াদান ইউনিট) এর প্রশিক্ষণ প্রদান এবং ৬৫০০ জন স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে  সাংকেতিক যন্ত্রপাতি ও স্বেচ্ছাসেবক গিয়ার সরবরাহ করা হবে।

▶        দুর্যোগ প্রস্তুতিমূলক মাঠ মহড়া (৪২ টি উপজেলায় ৪২ টি মাঠ মহড়া এবং ভিআইপিদের উদ্দেশ্যে প্রদর্শনের নিমিত্ত ২ টি মাঠ মহড়াসহ) মোট ৪৪ টি মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত হবে।

▶        ইউনিয়ন/সিটি ভিত্তিক গণসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক র‌্যালি ৩৭১ টি আয়োজন করা হবে।

▶        সিপিপির ৪২ টি উপজেলায় ২ টি করে মোট ৮৪ টি উপজেলা কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

▶        সিপিপির ৩৭১ টি ইউনিয়নে ২ টি করে মোট ৭৪২ টি ইউনিয়ন কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

▶        সিপিপির জোনাল কর্মকর্তা, উপজেলা কর্মকর্তা ও উপজেলা টিম লিডারদের অংশগ্রহণে ৭ (সাত) জোনে ৭ টি জোনাল সভা অনুষ্ঠিত হবে।

▶        খেলায় খেলায় দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কল্পে স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসা ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহনে সিপিপির ২১ টি উপজেলায় ২১ টি দুর্যোগ সচেতনতামূলক মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। 

▶        সিপিপি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি, শুদ্ধাচার, ডাটাবেজ হালনাগাদকরণ ইত্যাদি বিষয়ক (সম্ভাব্য ভেনু- খুলনা, কক্সবাজার ও কুয়াকাটা) ৩ টি প্রশিক্ষণ এর আয়োজন করা হবে।

▶        ৪২ টি উপজেলায় সর্বমোট ৫০,০০০ জন স্বেচ্ছাসেবকদের আইডি কার্ড প্রদান করা হবে।

▶        অসুস্থ ও দুর্যোগকালীন আহত/নিহত স্বেচ্ছাসেবকদের আর্থিক সহায়তা (যদি প্রয়োজন হয়) প্রদান করা।

▶        জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ও আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষ্যে উপজেলা ভিত্তিক ১১০ জন শ্রেষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবককে পুরস্কার প্রদান করা হবে।

▶        সিপিপির ৭ জোনে ৭ টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ১৭২ জন এইচএফ/ভিএইচএফ অপারেটরদের প্রশিক্ষণ প্রদান করার পরিকল্পনা রয়েছে।

▶        সিপিপি ঢাকা প্রধান কার্যালয়ের ৩ জন এবং মাঠ পর্যায়ের ৬ জনসহ মোট ৯ জনকে জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান হবে।

▶        ইউনিট/ইউনিয়ন/উপজেলা ভিত্তিক নারী স্বেচ্ছাসেবক নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে।

▶        ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) ৪২ টি উপজেলায় ৮৪ টি (প্রতি উপজেলায় ২ টি করে) এবং অতিরিক্ত প্রদর্শনের নিমিত্ত ৬ টি সহ মোট ৯০ টি ইউনিট টিম লিডারদের দিনব্যাপি ওয়ার্কসপ অনুষ্ঠান এর আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

▶        নদী তীরবর্তী ৬ টি জেলায় (চাঁদপুর, শরিয়তপুর, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ ও ঝালকাঠি) কর্মসূচির কার্যক্রম সম্প্রসারন, অবহিতকরন সভা/কর্মশালা আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

▶        ২ টি দিবস (জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ও আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস) উদযাপনে স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণ (সদর দপ্তর ও মাঠ পর্যায়) নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

▶        জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ও আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে সিপিপি স্বেচ্ছাসেবকদের প্রদেয় বিভিন্ন সাংকেতিক যন্ত্রপাতি ও স্বেচ্ছাসেবক গিয়ার প্রদর্শনের নিমিত্ত ২ টি স্টল নির্মাণ করা হবে।

▶        স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে সরবরাহের নিমিত্ত ১০৫০ টি মেগাফোন, ১০৫০ টি হ্যান্ড সাইরেন, ৭০০০ টি সিপিপি ভেষ্ট, ৭০০০ টি Hathat, ৭০০০ টি গামবুট উন্মুক্ত দরপত্র আহবানের মাধ্যমে ক্রয় করে সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

 


Share with :

Facebook Facebook