ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৮ জুন ২০১৪

জীবন দানকারী স্বেচ্ছাসেবক

জীবন দানকারী স্বেচ্ছাসেবকঃ

          ১৯৯১, ১৯৯৭ এবং ২০০৭ (সিডর) এ কর্মরত অবস্থায় ঘূর্ণিঝড়ে নিহত স্বেচ্ছাসেবকদের নামের তালিকা

ক্রমিক নং

মৃত স্বেচ্ছাসেবকদের নাম ও ঠিকানা

সন

পদবী ও ইউনিট নম্বর

উপজেলার নাম

মুত্যুর কারন

ফজল আহমেদ

পিতাঃ সদর আলী

গ্রামঃ মাঝেরডেইল                           

পোঃ মাতার বাড়ী

উপজেলাঃ  মহেশখালী

জেলা কক্সবাজার

১৯৯১

উদ্ধার বিভাগ

৮ নং ইউনিট

মহেশখালী

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড়ে  ইউনিট পর্যায়ে মৌখিকভাবে ঘূর্ণিঝড়ের সংবাদ জনসাধারণের মধ্যে প্রচার করতে গিয়ে জলোচ্ছাসে ভেসে যায়।

বদিউল আলম

পিং খলিল আহমেদ

গ্রামঃ  মোহাম্মদ সফির বিল

পোঃ  ইনানী

ইউনিয়নঃ জালিয়া পালং

উপজেলাঃ  উখিয়া,জেলা কক্সবাজার

১৯৯১

সহঃ উদ্ধার

৩ নং ইউনিট

উখিয়া

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড়ে  ইউনিট পর্যায়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে জলোচ্ছাসে ভেসে যায়।

জালাল আহমেদ

পিতার নামঃ আব্দুল হামিদ

গ্রামঃ  কৈয়ারবিল

পোঃ বড়ঘোপ

উপজেলাঃ কুতুবদিয়া, জেলাঃ কক্সবাজার

১৯৯১

সংকেত বিভাগ

৪ নং ইউনিট

কুতুবদিয়া

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে এলাকার জনসাধারণের মধ্যে  সংকেত প্রচাররত অবস্থায় জলোচ্ছাসে ভেসে মারা যায়।

মৌলভী মোঃ হোসেন

পিতার নামঃ  আবদুল মোতালেব

গ্রামঃ খুদিয়ার টেক

ইউনিয়নঃ আলী আকবর ডেইল

উপজেলাঃ কুতুবদিয়া,জেলাঃ কক্সবাজার

১৯৯১

আশ্রয় বিভাগ

৯ নং ইউনিট

কুতুবদিয়া

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে জনসাধারণকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময় জলোচ্ছাসে ভেসে মারা যান।

নূরুল হুদা

পিতার নামঃ  মোজাহার মিয়া

গ্রামঃ  খুদিয়ার টেক

পোঃ বড়ঘোপ

ইউনিয়নঃ আলী আকবর ডেইল

উপজেলাঃ কুতুবদিয়া, জেলাঃ কক্সবাজার

১৯৯১

সহঃ আশ্রয়

৭ নং ইউনিট

কুতুবদিয়া

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে জনসাধারণকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময় জলোচ্ছাসে ভেসে মারা যান।

আবদুল মাবুদ

পিতাঃ মৃত সরাফত আলী

গ্রামঃ  বাগখালী

পোঃ দুরং বাজার

ইউনিয়নঃ উত্তর ধ্রম্নরং

উপজেলাঃ কুতুবদিয়া, জেলাঃ কক্সবাজার

১৯৯১

  ত্রাণ বিভাগ

৭ নং ইউনিট

কুতুবদিয়া

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে জনসাধারণকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময় জলোচ্ছাসে ভেসে মারা যান।

সামছুল আলম

পিতার নামঃ   মৃত নুরুজ্জামান

গ্রামঃ  মগনামা মটকা ভাঙ্গা

পোঃ + ইউনিয়নঃ মগনামা

উপজেলাঃ  পেকুয়া ( সাবেক চকোরিয়া)

জেলাঃ কক্সবাজার

১৯৯১

সংকেত বিভাগ

৫ নং ইউনিট

চকোরিয়া

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন সময়ে এলাকার জনসাধারণের মধ্যে  মেগাফোন ও হ্যান্ডসাইরেনসহ প্রচার করতে গিয়ে  জলোচ্ছাসে ভেসে মারা যান।

 

 

ক্রমিক নং

মৃত স্বেচ্ছাসেবকদের নাম ও ঠিকানা

সন

পদবী ও ইউনিট নম্বর

উপজেলার নাম

মুত্যুর কারন

ইউসুফ আলী

পিতার নামঃ   মৃত  মোবারক আলী

গ্রামঃ  করিয়ারদিয়া

পোঃ  বদরখালী

ইউনিয়নঃ মগনামা ( বর্তমানে উজান টিয়া)

উপজেলাঃ  পেকুয়া ( সাবেক চকোরিয়া)

জেলাঃ কক্সবাজার

১৯৯১

 সহঃ প্রাথমিক চিকিৎসা

 

১০ নং ইউনিট

চকোরিয়া

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন সময়ে এলাকার জনসাধারণের মধ্যে  ঘূর্ণিঝড়ের সংবাদ প্রচার করতে গিয়ে  জলোচ্ছাসে ভেসে মারা যান।

মোঃ নুরুল হক  সওদাগর

পিতাঃ মৃত  হাজী

আসদ আলী

গ্রামঃ  রাজাখালী

পোঃ  রাজাখালী

উপজেলাঃ  পেকুয়া ( সাবেক চকোরিয়া)

জেলাঃ কক্সবাজার

১৯৯১

ত্রাণ বিভাগ

২ নং ইউনিট

চকোরিয়া

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন সময়ে এলাকার জনসাধারণকে নিরাপদ আশ্রয় স্থানে নিয়ে যাওয়া এবং  প্রচার করতে গিয়ে  জলোচ্ছাসে ভেসে মারা যান।

১০

মোঃ  নবীর উদ্দিন

পিতার নামঃ   মৃত আবদুস ছাত্তার

গ্রামঃ  মোহাম্মদপুর মেগপাশান

পোঃ+ ইউনিয়নঃ জাহাজমারা

উপজেলাঃ  হাতিয়া, জেলাঃ  নোয়াখালী

১৯৯১

উদ্ধার বিভাগ

১০ নং ইউনিট

হাতিয়া

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন সময়ে এলাকার নদীর পাড়ে বেড়ী বাধেঁ জলোচ্ছাসে আটকা পড়ে মারা যান।

১১

বেলাল উদ্দিন

পিতার নামঃ  মৃত বদিউল আলম

গ্রামঃ  মোহাম্মদপুর মেগপাশান

পোঃ+ ইউনিয়নঃ জাহাজমারা

উপজেলাঃ  হাতিয়া

জেলাঃ  নোয়াখালী

১৯৯১

সহঃ উদ্ধার

১০ নং ইউনিট

হাতিয়া

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন সময়ে এলাকার নদীর পাড়ে বেড়ী বাধেঁ জলোচ্ছাসে আটকা পড়ে মারা যান।

১২

ওমর ফারম্নক

পিতার নামঃ  মৃত মোঃ সায়েদুল হক

গ্রামঃ  হাজীরপুর

পোঃ সমির হাট

ইউনিয়নঃ  পূর্ব চরবাটা ( সাবেক হাজীপুর)

উপজেলাঃ  সুধারাম ( সুবর্নচর)

জেলাঃ  নোয়াখালী

১৯৯১

সহঃ উদ্ধার

 ৯ নং ইউনিট

সুধারাম

( সুবর্ণচর)

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন সময়ে এলাকার জনসাধারণের মধ্যে ঝড়ের সংবাদ প্রচার এবং উদ্ধার কাজে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। পরবর্তীতে মৃত অবস্থায় তার মৃতদেহ পাওয়া যায়।

১৩

নূর উদ্দিন

পিতার নামঃ  মৃত আলী আহমেদ

গ্রামঃ  চর ক্লার্ক

পোঃ  চর লক্ষী

ইউনিয়নঃ  চর ক্লার্ক

উপজেলাঃ  সুধারাম ( সুবর্নচর)

জেলাঃ  নোয়াখালী

১৯৯১

সহঃ উদ্ধার

৪ নং ইউনিট

সুধারাম

( সুবর্ণচর)

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন সময়ে এলাকার জনসাধারণের মধ্যে ঝড়ের সংবাদ প্রচার এবং উদ্ধার কাজে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। পরবর্তীতে মৃত অবস্থায় তার মৃতদেহ পাওয়া যায়।

১৪

নূর উদ্দিন

পিতার নামঃ  মৃত আবদুর রব মাঝি

গ্রামঃ  চর  আলাউদ্দিন

পোঃ  চর লক্ষী

উপজেলাঃ  সুধারাম ( সুবর্নচর)

জেলাঃ  নোয়াখালী

১৯৯১

উদ্ধার বিভাগ

৫ নং ইউনিট

সুধারাম

( সুবর্ণচর)

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন সময়ে এলাকার জনসাধারণের মধ্যে ঝড়ের সংবাদ প্রচার এবং উদ্ধার কাজে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। পরবর্তীতে মৃত অবস্থায় তার মৃতদেহ পাওয়া যায়।

 

 

 

ক্রমিক নং

মৃত স্বেচ্ছাসেবকদের নাম ও ঠিকানা

সন

পদবী ও ইউনিট নম্বর

উপজেলার নাম

মুত্যুর কারন

১৫

খুকী রানী গুহ

পিতার নামঃ খোকন চন্দ্র গুহ

গ্রামঃ  হরিসপুর

পোঃ  + ইউনিয়নঃ হরিসপুর

উপজেলাঃ  সন্দ্বীপ

জেলাঃ  চট্টগ্রাম              

১৯৯১

প্রাথমিক চিকিৎসা

 

১২ নং ইউনিট

সন্দ্বীপ

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে পাশের বাড়ীর বাচচা ও মহিলাদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময়ে পানিতে ভেসে যায়। পরবর্তীতে বেতঝড়ের মধ্যে তার মৃত দেহ পাওয়া যায়।

১৬

আবুল কাশেম

পিতার নামঃ  মিঃ অজি উল্লাহ ছিদ্দিক

গ্রামঃ  মগধরা

পোঃ   ফলিসার বাজার

ইউনিয়নঃ মগধরা

উপজেলাঃ  সন্দ্বীপ

জেলাঃ  চট্টগ্রাম

১৯৯১

সহঃ প্রাথমিক চিকিৎসা

 

১০ নং ইউনিট

সন্দ্বীপ

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড়ে এলাকার জনসাধারণের মধ্যে ঝড়ের সংকেত প্রচাররত অবস্থায় পানিতে ভেসে যায়।

১৭

আবু বকর ছিদ্দিক

পিতার নামঃ মৃত অহি দুল্লাহ

গ্রামঃ  মগধরা

পোঃ   ফলিসার বাজার

ইউনিয়নঃ মগধরা

উপজেলাঃ  সন্দ্বীপ

জেলাঃ  চট্টগ্রাম

১৯৯১

উদ্ধার বিভাগ

৫ নং ইউনিট

সন্দ্বীপ

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে এলাকার লোকজনকে উদ্ধার করতে গিয়ে পানিতে ভেসে যায়। উল্লেখ্য যে, পরিবারের একমাত্র কন্যা সন্তান ছাড়া অন্যরা সকলেই ঝড়ে মারা যায়।

১৮

আবুল কাশেম

পিতার নামঃ মৃত বাদশা মিয়া

গ্রামঃ  আজিমপুর

পোঃ   আজিজিয়া

ইউনিয়নঃ  আজিমপুর

উপজেলাঃ  সন্দ্বীপ

জেলাঃ  চট্টগ্রাম

১৯৯১

সহঃ সংকেত

৩ নং ইউনিট

সন্দ্বীপ

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড়ে নদীর পাড়ের ঝড়ের সংকেত জনসাধারণের মধ্যে প্রচার করতে গিয়ে মারা যান। পরের দিন তার মৃতদেহ পাওয়া যায়।

১৯

আজিম উদ্দিন

পিতার নামঃ  মৃত নাজির আহমেদ

গ্রামঃ  কালাপানিয়া

পোঃ   ঐ

উপজেলাঃ  সন্দ্বীপ

জেলাঃ  চট্টগ্রাম

১৯৯১

সহঃ আশ্রয়

১১ নং ইউনিট

সন্দ্বীপ

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড়ে ইউনিট টিম লীডার এর সাথে ঝড়ের সংবাদ জনসাধারণের মধ্যে প্রচার করতে গিয়ে পানিতে ভেসে মারা যান।

২০

মোজাহার হোসেন

পিতার নামঃ   মোফাজ্জল হোসেন

গ্রামঃ  নিজ হাওলা

পোঃ উলানিয়া

ইউনিয়নঃ  রতনদি তালতলী

উপজেলাঃ  গলাচিপা

জেলাঃ  পটুয়াখালী

১৯৯১

প্রাথমিক চিকিৎসা

২ নং ইউনিট

গলাচিপা

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড়ে এলাকার জনসাধারণের মধ্যে ঝড়ের সংবাদ প্রচার করতে গিয়ে আর ফিরে আসেননি। পরবর্তী মেগাফোন হাতে আরসি ভেষ্ট পরা অবস্থায় তার মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে।

২১

রফিজুল ইসলাম

পিতার নামঃ   আবদুল লতিফ

গ্রামঃ  চর নিজাম

ইউনিয়নঃ  সাকুচিয়া

উপজেলাঃ  মনপুরা

জেলাঃ  ভোলা

১৯৯১

আশ্রয় বিভাগ

১১ নং ইউনিট

মনপুরা

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড়ে এলাকার জনসাধারণের মধ্যে ঝড়ের সংবাদ প্রচার করতে গিয়ে পানিতে ভেসে মারা যান।

 

 

 

ক্রমিক নং

মৃত স্বেচ্ছাসেবকদের নাম ও ঠিকানা

সন

পদবী ও ইউনিট নম্বর

উপজেলার নাম

মুত্যুর কারন

২২

আবদুর রহিম

পিতার নামঃ   মৃত আবদুল লতিফ সরদার

গ্রামঃ  চর নিজাম

ইউনিয়নঃ  সাকুচিয়া

উপজেলাঃ  মনপুরা

জেলাঃ  ভোলা

১৯৯১

ত্রাণ বিভাগ

১১ নং ইউনিট

মনপুরা

১৯৯১ সনের প্রলংকরী ঘূর্ণিঝড়ে এলাকার জনসাধারণের মধ্যে ঝড়ের সংবাদ প্রচার করতে গিয়ে পানিতে ভেসে মারা যান।

২৩

সূর্য্য লাল দাস

পিতার নামঃ   তরনী কুমার দাস

গ্রামঃ  কাজীপাড়া

পোঃ কুমিরা

উপজেলাঃ  সীতাকুন্ড

জেলাঃ  চট্টগ্রাম

 

১৯৯৭

উদ্ধার বিভাগ

৫ নং ইউনিট

সীতাকুন্ড

১৯৯৭ সনের ঘূর্ণিঝড়ে সন্দ্বীপ চ্যানেলে নৌকাসহ উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে সন্দ্বীপ চ্যানেলে নিমজ্জিত হয়ে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়নি।

২৪

তাছলিমা বেগম

স্বামীঃ আঃ রহিম মাষ্টার

গ্রামঃ  মাঝের চর

পোঃ দক্ষিণ তেতুল বাড়িয়া

উপজেলাঃ  বদরখালী

জেলাঃ  বরগুনা

২০০৭

মহিলা সংকেত বিভাগ

১৪ নং ইউনিট

বদরখালী

২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডরের আসন্ন বিপদের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন্ ও রক্ষা করতে গিয়ে পানিতে ভেসে মারা যায়। মৃতদেহ পাওয়া যায়নি।

২৫

আশরাফুল হোসেন খান

পিতা মৃত আবদুল লতিফ খান

গ্রামঃ  সাউথখালী

পোঃ তাফাল বাড়ি সাউথ খালী

উপজেলাঃ  শরনখোলা

জেলাঃ  বাগেরহাট

 

 

২০০৭

প্রাথমিক চিকিৎসা

 ৭ নং ইউনিট

শরনখোলা

২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডরের আসন্ন বিপদের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করে নিজ পরিবার পরিজনদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময় নিজ কন্যা সহ জলোচ্ছোসে নিখোজ হন। পরের দিন মেয়ে কোলে অবস্থায় উভয়ের মৃত্যুদেহ পাওয়া গিয়েছে।

২৬

মোজাম্মেল হোসেন

পিতার নামঃ মৃত আবদুল কাদের

গ্রামঃ + পোঃ তুসখালী

উপজেলাঃ  মঠবাড়িয়া

জেলাঃ  পিরোজপুর

২০০৭

সহঃ আশ্রয়

 

১ নং ইউনিট

মঠবাড়িয়া

( দুবলার চর)

২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডরের সংবাদ দুবলার চরের জেলেদের নিরাপদ আশ্রয় স্থানে যাওয়া এবং তাদের মাঝে ঝড়ের সংবাদ প্রচার করতে গিয়ে জলোচ্ছাসে ভেসে যান। পরেরদিন তার মৃতদেহ সুন্দর বনের একটি গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় হ্যান্ড সাইরেনসহ পাওয়া গিয়েছে।


Share with :